Add a subheading 3

যুদ্ধবিরতি নাকি হামাসের কাছে ইসরায়েলের পরাজয় ?

সাম্প্রতিক বিশ্ব

গত (০৭) সাত অক্টোবর ইসরাইলে ঢুকে  স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ নজিরবিহীন হামলা চালায় ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। হামলার পর ইসরাইলের বেশ কিছু নাগরিককে বন্দি করে তারা। যার ফলে, ওই হামলার পর রাজনীতিতে নতুন মোড় নেয় মধ্যপ্রাচ্যে।

এমন অবস্থায় অনিচ্ছা সত্ত্বেও অবশেষে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে তেল আবিব। কাতারের মধ্যস্থতায় চার দিনের  যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয়েছে দখলদার ইসরাইল। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে এই চার দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতিতে রাজির মাধ্যমে হামাসের কাছে কার্যত পরাজয় স্বীকার করল নেতানিয়াহু সরকার। হামাস নির্মূলের নামে গাজায় নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালালেও সশস্ত্র এ গোষ্ঠীর কোনো অস্তিত্বই খুঁজে না পেয়ে নেতিয়ে পড়ে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। তাই যুদ্ধবিরতি ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো সুযোগ ছিল না।

আরো পড়ুন :  আবারো রাশিয়ায় ৩ হাজার সেনা পাঠানোর ঘোষণা 'কাদির ভের'

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরাইলের অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের মুখে অভ্যন্তরে ঢুকে ভয়াবহ হামলার মাধ্যমে হামাস তার শক্তিমত্তার  প্রমাণ দিয়েছে।

হামাসের এই উত্থানের পেছনে কয়েকটি বিষয় কাজ করছে বলে মনে করেছেন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞরা।

সিরিয়ার মাধ্যমে ইরানের কাছ থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র সহযোগিতার পাশাপাশি তুরস্কের কাছ থেকে গোয়েন্দাসহ সামরিক তথ্যের সহযোগিতা পাচ্ছে হামাস। আর পরোক্ষভাবে হামাসকে সযোগিতা করে যাচ্ছে চীন ও রাশিয়া। কূটনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে হামাসের পাশে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ কাতার। এছাড়া গোপনে মিশর থেকেও পাচ্ছে সমর্থন। আর এতেই ধীরে ধীরে শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হচ্ছে ফিলিস্তিনিদের মুক্তিকামী সংগঠন হামাস।

আরো পড়ুন :  বার্ড ফ্লু ছড়িয়ে পড়ল ইউরোপে,সাবধানতা অবলম্বনে ফ্রান্সে

শক্তিশালী ইসরাইলের বিরুদ্ধে এমন হামলার পর হামাসের শক্তিমত্তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ। ফিলিস্তিনিদের নতুন করে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখাচ্ছে এখন তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *