Gaza 22

এবার ফলের জুস উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষস্থানে আফগানিস্তান

বাণিজ্য

বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা মুদ্রার খেতাব অর্জনের পর এবার ফলের জুস উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষস্থানে অবতরন করলো আফগানিস্তান। চলতি প্রান্তিকে বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে এখন সেরা নাম আফগানিস্তান।

একের পর এক সুসংবাদ আসছে ইসলামী ইমারতের  আফগানিস্তান থেকে। তারা ক্ষমতায় আসার পর সেখানে মহান আল্লাহর নেয়ামত জাজির   ভান্ডার এভাবে উন্মোচিত হচ্ছে তার ধারাবাহিকতায় চলতি বছর দেশটিতে স্মরণকালে সর্বোচ্চ পরিমাণে ডালিম উৎপন্ন হয়েছে।

যা ইতোমধ্যে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, আরব আমিরাত, কাতার এমনকি জার্মানিতে রপ্তানি শুরু হয়েছে। বর্তমানে এই ডালিম এবং ডালিমের জুস বিক্রির মুনাফায় ইসলামী ইমারত সরকারের বৈদিক মুদ্রা রিজার্ভ ফুলে উঠতে শুরু করেছে।

আফগান ডালিমের এই উত্থানের গল্প জানতে আপনাকে যেতে হবে কাবুল থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরের কান্দাহার রাজ্যে।যেটি ইসলামী ইমারতের বিগত শাসন আমলের রাজধানী ছিল। দৃষ্টি সীমার শেষ পর্যন্ত হাজার হাজার  হেক্টর এলাকা জুড়ে শুধু ডালিমের বাগান। গাছের ঝুলছে পাকা টসটসে বিশাল বিশাল ডালিম। আফগানিস্তান মানেই সন্ত্রাস কিন্তু দেশেটিতে তেলের খনি ইত্যাদির  পাশাপাশি স্বর্গীয় পরিবেশে এত দামি দামি ফল যে  উৎপন্ন হয় সেই কাহিনী বিশ্ববাসী থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ডালিম আর কোথাও নয় বিশ্বের নতুন পরাশক্তি আফগানিস্তানে।

আরো পড়ুন :  জ্বালানি তেলের দাম কমেছে

ইতোমধ্যে  পামির গোলা ও সাফা গোলা সহ  কয়েকটি আফগান কোম্পানির হাত ধরে ডালিম সহ বিভিন্ন ফলের জুস উন্নত বিশ্বে রপ্তানি হচ্ছে। বিশেষত আফগানিস্তানের  পামির গোলা সবচেয়ে বড় মার্কেটে পরিণত হয়েছে খুদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যারা এত বছর আফগানিস্তানে হত্যা যোগ্যতা চালিয়েছে বর্তমানে তারাই আফগানিস্তানের জুস খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলছে।

বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে তালেবান ক্ষমতার আসার পর দেশটি তে ডালিমের উৎপাদন তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইমারত সরকার যখন আফিন চাষ নিষিদ্ধ করল তখন অনেকেই উপহাস করে বলেছিল মোল্লাদের ইনকামের রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ইমারত  সরকারের সুশাসনে সেখানে একের পর এক খনি আবিষ্কার হচ্ছে অন্যদিকে ডালিম আঙ্গুর সহ মূল্যবান ফলগুলোর উৎপাদন বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরো পড়ুন :  মাএ তিন মাসে সর্বজনীন পেনশনের গ্রাহক ছাড়াল সাড়ে ১৫ হাজার!

ইসলামী ইমারত  ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে আফগানিস্তান যেসব সেক্টরে  উন্নতি লাভ করেছে তার মধ্যে জুস ও কোমল পানীয় অন্যতম। ইমারত সরকারের দায়িত্বশীলদের  উপস্থিতিতে একের পর এক কোমল পানিয়ের প্রোডাক্ট উন্মোচন করা হচ্ছে এবং  মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপআমেরিকায় রপ্তানি হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন বর্তমানে যেভাবে পেপসি  কোকাকোলার বয়কটের জোয়ার চলছে এরমধ্যে আফগানিস্তানের জুস ও কোমল পানীয় ফাঁকা মার্কেট দখল করার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এমনকি বাংলাদেশে তাদের কোমল পানীয় আমদানি পরিকল্পনা দেখা গেছে  সামাজিক মাধ্যমে। বয়কটের এই জোয়ার মঞ্চে যদি আফগান কোম্পানিগুলো এই ফাঁকা মার্কেট ধরে ফেলতে পারে তবে বিরাট বাজিমাত হয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *