শীতকালে কলা খেলে যা হয়

শীতকালে কলা খেলে যা হয়

বাংলাদেশ

আমরা অনেকেই শীতে কলা খাই না। অনেকে মনে করেন কলা খেলে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা বাড়ে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন শীতের খাবারে কলা রাখুন। এতে নানা রকম উপকার পাবেন। শীতে কলা খাওয়ার একাধিক উপকার রয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপনি যদি শক্তিশালী পেশী চান, নিয়ন্ত্রিত ওজন আর নিয়ন্ত্রিত ব্লাড প্রেসার চান তাহলে প্রতিদিন কলা খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। এছাড়া আপনার শিশুকে নিয়মিত কলা খেতে দিন। কলা হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার কলা

কলার হচ্ছে ভিটামিন সি, রাইবোফ্ল্যাভিন, ফোলেট, নিয়াসিন, কপার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ ফল। এতে আছে একাধিক জরুরি খনিজ এবং ভিটামিন। কলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্টের অনেক বড় উৎস। এই উপাদানগুলো একাধিক ক্রনিক রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে। অ্যাসিডিটির সমস্যা কমায় কলা: শীত কালে অনেকেই গ্যাস বা অ্যাসিডিটির মতো পেটের সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু এই সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় খুঁজে পান না। বলছি তাদের জন্য ফাইবার সমৃদ্ধ কলা হচ্ছে একটি আদর্শ খাবার।

আরো পড়ুন :  জিগাতলায় যাত্রীবাহী বাসে আগুন

ওজন কমাতে কলার ভূমিকা

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকলে একাধিক জটিল অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই ওজন কমাতে চাইলে নিয়মিত কলা খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা কিনা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। আর অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকলে খাওয়ার ইচ্ছে চলে যায়। কম খেলে অচিরেই ওজনের কাঁটা উল্টোদিকে ঘুরে যাবে।

হার্ট ভালো রাখতে কলা ফলের ভূমিকা

অনেকে কম বয়সেই হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেলিওর, অ্যারিদমিয়ার মতো অসুখে আক্রান্ত হন। তাই আট থেকে আশি, সবাইকেই হার্টের দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আর এই কাজে আপনার সহযোগী হতে পারে কলা। কলায় থাকা পটাশিয়াম হাই ব্লাড প্রেশারকে নিয়ন্ত্রণ করে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে।

আরো পড়ুন :  বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে ঢাকা

কিডনি ভালো রাখতে কলা খান

মানব দেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো কিডনি। সাঠিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত না হলে কিডনি নষ্ট হতে পারে। আবার যেকোন ক্রনিক রোগ কিডনি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। তবে ভালো খবর হলো, নিয়মিত পটাশিয়াম সমৃদ্ধ কলা খেলে কিডনির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। যেহেতু কলা একটি বারোমাসি ফল তাই শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা কোনো সমস্যা নেই, বরং বছরের ৩৬৫ দিন কলা খেতেই পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *