Add a subheading 7

বায়ুদূষণ রোধে হাইকোর্টের ৯ দফা নির্দেশনা

বাংলাদেশ

বায়ুদূষণ রোধে হাইকোর্টের ৯ দফা নির্দেশনার বাস্তবায়ন বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ জারি।

পরিবেশবাদী ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট বায়ুদূষণ রোধে ৯ দফা নির্দেশনাসহ আদেশ দিয়েছিলেন।

বায়ুদূষণ রোধে হাইকোর্টের ৯ দফা নির্দেশনার একটি হলো ঢাকার আশপাশের পাঁচ জেলার অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করা ও ও ধুলাপ্রবণ এলাকায় দুই সিটি করপোরেশনের নিয়মিত পানি ছিটানো।

‘বায়ুদূষণে ঢাকা এখন এক নম্বরে’, ‘বিক্রি হচ্ছে ইটভাটার ছাড়পত্র, বাড়ছে পরিবেশদূষণ’ এবং ‘৮ বছরে ৪৭ দিন নির্মল বায়ু পেয়েছে ঢাকাবাসী’ শিরোনামে চলতি মাসে গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন যুক্ত করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে সম্পূরক আবেদন করে এইচআরপিবি।

আরো পড়ুন :  ই-সিগারেট কী ক্ষতিকর ?

এক সম্পূরক আবেদনের শুনানিতে সোমবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেন। একই সঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ ডিসেম্বর তারিখ রেখেছেন আদালত।

আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় সম্পূরক আবেদনটি করা হয় বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

এ বিষয়ে আদালত বলেছেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই ওই ইট ভাটাগুলো চলে। তাদের (কর্মকর্তাদের) নির্মল বায়ুর প্রয়োজন নেই। কারণ, তাদের সন্তানেরা বিদেশে পড়াশোনা করে, সেখানে নির্মল বায়ু পায়।

আরো পড়ুন :  নৌকায় মনোনয়ন পেলেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস, বাদ পড়লেন মাহিয়া মাহি

হাইকোর্টের ৯ দফার মধ্যে ঢাকা শহরে মাটি/বালু/বর্জ্য পরিবহন করা ট্রাক ও অন্যান্য গাড়িতে মালামাল ঢেকে রাখা; নির্মাণাধীন এলাকায় মাটি/বালু/সিমেন্ট/পাথর/নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা; সিটি করপোরেশন রাস্তায় পানি ছিটানো; রাস্তা/কালভার্ট/কার্পেটিং/খোঁড়াখুঁড়ির কাজে দরপত্রের শর্ত পালন নিশ্চিত করা; সড়ক পরিবহন আইন অনুসারে গাড়ির চলাচল সময়সীমা নির্ধারণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি চলাচল বন্ধ করা; পরিবেশগত সনদ ছাড়া চলমান টায়ার ফ্যাক্টরি বন্ধ করা; মার্কেট/দোকানের প্রতিদিনের বর্জ্য ব্যাগে ভরে রাখা এবং বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করার বিষয়গুলো রয়েছে।

ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় বায়ুদূষণ রোধে নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ও দুই সিটি করপোরেশনকে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *