images

চোখ লাল হলে যা করণীয়

বাংলাদেশ

শীত পড়তেই নানা রোগজীবাণু শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এই সময় ত্বক শুষ্ক হওয়া থেকে চোখের নানা সংক্রমণও দেখা দিতে থাকে। এমন সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। চোখ লাল হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। খুব ঘন ঘন চোখ লাল হলে ও দীর্ঘ সময় লাল থাকলে অবহেলা না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অনেক কারণে চোখ লাল হয়ে যেতে পারে। যেমন: ধুলোবালি, ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে প্রাচীরে বাস করা অণুজীব, পোষা প্রাণীর শরীরে বসবাসকারী পরজীবী, ফুলের রেণু, সুইমিং পুলে ব্যবহার্য ক্লোরিন, সুগন্ধী, সিগারেটের ধোঁয়া ইত্যাদি। এ ছাড়া ভোঁতা কিংবা ধারালো বস্তুর আঘাতে রক্তক্ষরণ হয়ে চোখ লাল হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া পর্যাপ্ত চিকিৎসার অভাবে আঘাতপ্রাপ্ত চোখের ক্ষতস্থানে ব্যাকটেরিয়া এবং ফাঙ্গাসের সংক্রমণের মাধ্যমেও চোখ লাল হয়ে যেতে পারে। নিয়মিত মাদকদ্রব্য ও অ্যালকোহল গ্রহণের ফলে চোখের ধমনীগুলো প্রসারিত হয়ে স্থায়ী লালচে ভাব তৈরি করতে পারে।

আরো পড়ুন :  আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন ১. চোখে বিরতিহীন চুলকানি, জ্বলুনি হলে এবং অঝোরে পানি ঝরতে থাকলে। ২. চোখে লালচে ভাব ৩ দিনের বেশি স্থায়ী হলে। ৩. চোখে হলুদ,বাদামি কিংবা সবুজ রঙের আঠালো মিউকাস দেখা দিলে। ৪. চোখের অভ্যন্তরে ও চারপাশে প্রচণ্ড ব্যথা এবং চাপ অনুভূত হলে। ৫. জ্বরভাব এবং আলোর প্রতি তীব্র অস্বস্তি দেখা দিলে। ৬. নবজাতক এবং ৬ মাসের কম বয়সী শিশুর চোখে লালচে ভাবের পাশাপাশি পুঁজ দেখা দিলে।

আরো পড়ুন :  বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে ঢাকা

 

করণীয় ১. চোখে সংবেদনশীলতা উদ্রেককারী বস্তু পরিহার করা। ২. ঠান্ডা পানিতে তূলো বা পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে দিনে ৩-৪ বার শেক নেওয়া। ৩. বাড়ির স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দূর করতে হবে।  ৪. চোখ বার বার না রগড়ানো এবং হাত জীবাণুমুক্ত রাখা। ৫. শয়নকক্ষে ব্যবহারের বিছানা, চাদর ও বালিশের কাভার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। ৬. চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবন করা।

লেখক: চিকিৎসক, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *